রবিবার, অক্টোবর ২২, ২০১৭
হোম > চিন্তা > কামালবাদের প্রথম পাঠ

কামালবাদের প্রথম পাঠ

এডিটর’স নোট:

ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস থেকে সম্প্রতি Limits of Islamism: Jamaat-e-Islami in Contemporary India and Bangladesh শিরোনামে একটি বই বের হয়েছে। কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক ড. মাইদুল ইসলাম বইটির লেখক। বইয়ের ভূমিকায় বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে মুজিববাদ প্রসংগে লেখক তুরস্কের কামালবাদ নিয়ে আলোচনা করেছেন। তুরস্ক নিয়ে সিএসসিএস-এর ধারাবাহিক কাজের অংশ হিসেবে পাঠকদের জন্যে এটুকু অনুবাদ করা হলো।


গত শতাব্দীর বিশের দশকে মোস্তফা কামাল আতাতুর্ক তুরস্কে এমন একটি রাজনৈতিক ধারা প্রতিষ্ঠা করেন, যেটা পুরোপুরিই ইউরোপীয় ‘সেক্যুলার-জাতীয়তাবাদী’ ধাঁচের। এটি ক্রমান্বয়ে ‘কামালবাদ’ নামে পরিচিতি পায়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী আন্তর্জাতিক দৃশ্যপট পরিবর্তনের সাথে সাথে মুসলিম বিশ্বেও উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন লক্ষ করা যায়। সেখানে এমনসব শাসকের উত্থান ঘটে যারা জন্মগতভাবে মুসলিম হলেও বাস্তবে ছিল কামালবাদের অনুসারী। তাদের মনোভাব ছিল পশ্চিমা ধাঁচের এবং আধুনিকতাপন্থী। এসব শাসক বা নেতৃবৃন্দ কামালপন্থী হিসেবে পরিচিত। এই কামালপন্থী শাসকগণ রাষ্ট্রীয় কর্মকাণ্ডে ইসলামকে নিতান্তই অপ্রয়োজনীয় ও পরিত্যাজ্য বিষয় হিসেবে বিবেচনা করতেন।[1]

শুধু তাই নয়, উপনিবেশ পরবর্তী সময়েও বিভিন্ন মুসলিম দেশে এই ধারা অব্যাহত থাকে। সেখানকার শাসকদেরকেও ইসলামের ব্যাপারে ‘কামালবাদী’ নীতি অনুসরণ করতে দেখা গেছে।[2] তবে স্থানকাল ভেদে মুসলিম দেশগুলোতে একেকভাবে ‘কামালবাদ’ চর্চা করা হতো। মুসলিম দেশগুলোর রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে ড. সালমান সাইয়েদ[3] মোটাদাগে ‘কামালবাদ’ পরিভাষাটি প্রথম ব্যবহার করেছেন।[4]

এ ব্যাপারে সালমান সাইয়েদের সাথে আমিও একমত পোষণ করি। বাংলাদেশের রাজনীতিতে শেখ মুজিবুর রহমান সেক্যুলার-জাতীয়তাবাদী মডেলের আলোকে যে ধারা তৈরি করেছিলেন তার সাথে কামালবাদের মিল রয়েছে। মূলত কামালবাদেরই স্পষ্ট আরেকটি ধারা হচ্ছে বাংলাদেশের মুজিববাদ। এ বইয়ের চতুর্থ অধ্যায়ে মুজিববাদের মতাদর্শ ও রাজনীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করবো। তবে তার আগে ‘কামালবাদ’ পরিভাষাটি ব্যাখ্যা করা যাক।

কামালবাদ সম্পর্কে আর্নেস্টো লেকলৌ বলেছেন, “১৯৩০ এর দশকের শুরুর দিকে ছয়টি মূলনীতিকে তুর্কি প্রজাতন্ত্রে গ্রহণ করা হয়। কামাল পাশার রাজনৈতিক দল ‘রিপাবলিকান পিপলস পার্টির’ লোগোতে অঙ্কিত ছয়টি তীর দ্বারা এই ছয়টি মূলনীতিকে বোঝানো হয়। মূলনীতিগুলো হলো: রিপাবলিকানিজম, ন্যাশনালিজম, পপুলিজম[5], রেভ্যুলোশনিজম, সেক্যুলারিজম এবং এটাটিজম (etatism)[6]। এগুলোকে কামালবাদী আদর্শের স্তম্ভ গণ্য করা হয়।[7] অবশ্য লেকলৌর আগে সালমান সাইদ কামালবাদের চারটি মূলনীতি চিহ্নিত করেন। এগুলো হলো: সেক্যুলারিজম, ন্যাশনালিজম, মডার্নাইজেশন এবং ওয়েস্টার্নাইজেশন।[8]

সমাজকে সেক্যুলার ও আধুনিকায়ন করার পাশাপাশি যুক্তির ভিত্তিতে সমাজ পরিচালনার চিন্তাকে প্রাধান্য দেয় কামালবাদ। এই চিন্তাধারা বাস্তবায়নে কামালবাদ কী পদক্ষেপ নিয়েছে তা নূর বেতুল চেলিক[9] খুঁজে বের করার চেষ্টা করেছেন।[10] তার মতে, মোস্তফা কামাল সমাজে পরিবর্তন আনা এবং সমাজকে আধুনিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্যে সর্বাগ্রে সেক্যুলারাইজেশনকে (রাষ্ট্র ও সমাজ থেকে ধর্মের পৃথকীকরণ) গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করতেন।[11] ইসলামের ব্যাপারে কামালবাদী সরকারের দৃষ্টিভঙ্গিকে Laicism (তুর্কি ভাষায় সেক্যুলারিজমকে বলা হয় Layiklik) হিসেবে অভিহিত করা হয়।[12] এর উদ্দেশ্য হলো জাতি ও রাষ্ট্র থেকে ধর্মকে পৃথক করে ফেলা।[13] মূলত ইসলামকে গণমানস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টাই ছিল কামালবাদী ডিসকোর্সের মূলভিত্তি।[14]

যাহোক, কামালবাদী সরকারের সেক্যুলারাইজেশন প্রকল্প দুটি দিক থেকে ইউরোপীয়দের চেয়ে আলাদা। প্রথমটি হলো, তুর্কি সেক্যুলারিজম গড়ে উঠেছিল মূলত স্বৈরতান্ত্রিক সরকারের আশ্রয়-প্রশ্রয়ে। অর্থনৈতিক আধুনিকায়নের ফলে স্বতঃস্ফূর্তভাবে যে সেক্যুলারিজম প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কথা, সেখানে তা হয়নি। দ্বিতীয় দিকটি হলো, সেক্যুলারিজমের কাঠামোটা ইউরোপ থেকে হুবুহু নকল করে তুরস্কের রাজনীতিতে প্রচলন করা হয়েছিল।[15]

এটা মনে রাখা দরকার, সরাসরি ইউরোপীয় নিয়ন্ত্রণে কিংবা ইউরোপীয় রেনেঁসা ও এনলাইটেনমেন্ট যুগের পটভূমির আলোকে তুরস্কে সেক্যুলারিজম গড়ে উঠেনি। তবে বহু আগে থেকেই প্রাচ্যে বিভিন্ন পর্যায়ে সেক্যুলারিজমের উপস্থিতি লক্ষ করা যায়। প্রাচীন ভারতে প্রখ্যাত নাস্তিকতাবাদী চার্বাক দর্শন থেকে শুরু করে সংশয়বাদ ও বস্তুবাদী লোকায়্ত দর্শনের মতো অনেক সেক্যুলার দর্শন চর্চা করা হতো। স্বাভাবিকভাবেই এসব দর্শনে ঈশ্বরের অস্তিত্ব এবং মৃত্যু পরবর্তী জীবনকে মেনে নেয়া হয় না। তাছাড়া এ ধরনের আরো অনেক অজ্ঞেয়বাদী দর্শনও সে সময় চর্চিত হতো। পাশাপাশি ঈশ্বরের অস্তিত্ব-নিরপেক্ষ বৌদ্ধ ও জৈন নামের ধর্মীয় দর্শনও প্রাচীন ভারতে বিদ্যমান ছিল।[16] এসব ছাড়াও পূর্ব মিমাংসা, সাংখ্য এবং নয়া বৈশেষিক– এর মতো প্রাচীন ভারতীয় দর্শনগুলোতেও নাস্তিকতাবাদের চর্চা হতো।[17]

তদুপরি প্রাচীন ভারতে সম্রাট আশোকের সময়টা ছিল ধর্মীয় সহিষ্ণুতার জন্য উল্লেখযোগ্য। মধ্যযুগে সম্রাট আকবরের শাসনামলে ভিন্ন ধর্মের প্রতি শ্রদ্ধা আর ধর্মচর্চার অবাধ স্বাধীনতা ছিল। এছাড়া মধ্যযুগে আবু বকর আল রাজী, ইবনে আল রাওয়ান্দি এবং আল ওয়ারাক্বি’র মতো ধর্মের সমালোচনাকারী লোকের অভাব ছিল না। কোরআন, নবুওয়াত ও নবী-রাসূলদের প্রচারিত ধর্ম সম্পর্কে তাদের বিশ্বাস ছিল সংশয়পূর্ণ।[18] সে সময়ের আরেক সমালোচক ও মুক্তচিন্তক আল মা’য়ারিও একই ধারণা পোষণ করতেন। তাদের চিন্তাধারা ছিল সেক্যুলার ধাঁচের।[19]

এসব দিক বিবেচনা করলে বলা যায়, প্রাচ্যের দুনিয়ায় সেক্যুলারিজম চর্চার ইতিহাস বেশ পুরোনো। উপনিবেশ পরবর্তী সময়ে প্রাচ্যের দেশগুলোতে পশ্চিমা সেক্যুলারিজমের অন্ধ অনুকরণ শুরু হয়। ফলে সংশ্লিষ্ট সমাজব্যবস্থা মতাদর্শিকভাবে পাশ্চাত্যের অধীন থেকে যায়।

ওয়েস্টফেলিয়ান সিস্টেমে[20] জাতিরাষ্ট্রের যে ধারণা, কামালবাদ সেটাকেই একমাত্র বৈধ ও বিজ্ঞানসম্মত বলে মনে করত।[21] কামালবাদী আদর্শ জাতীয়তাবাদকে মূলনীতি হিসেবে গ্রহণ করেছিল। পূর্বতন উসমানীয় খিলাফতের অধীনে বহু জাতিগোষ্ঠীর স্থিতিশীল সহাবস্থান ছিল। কিন্তু কামালবাদীদের শাসনামলে পদ্ধতিগতভাবে এমন একটি সমন্বিত চেতনাকে গড়ে তোলা হয়েছে, যা উসমানীয় খেলাফত ব্যবস্থাকে নস্যাৎ করে কামালবাদের জাতিরাষ্ট্রের ধারণাকেই তুরস্কের একমাত্র ইতিহাস হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা করে। কারণ, কামালবাদ অনুসারে যে কোনো রাজনৈতিক জনগোষ্ঠীর জন্যে জাতিরাষ্ট্রই একমাত্র উপযোগী ব্যব্স্থা।[22] এছাড়া কামালবাদের সাথে আধুনিকায়ন ও পাশ্চাত্যকরণ ধারণার তেমন পার্থক্য নেই। তারা মনে করতো, আধুনিক হওয়া মানে ইউরোপীয়দের অনুকরণ করা।[23]

কামালবাদী কর্মসূচিতে প্রভাবিত হয়ে মুসলিম বিশ্বের অন্যান্য শাসকরাও নিজেদের দেশে এ ধরনের পদক্ষেপ নেয়া শুরু করে। ইরানে রেজা শাহ পাহলভি আধুনিকায়ন প্রকল্প গ্রহণ করেছিলেন, যা ‘পাহলভিস্ট স্ট্র্যাটেজি’ হিসেবে পরিচিত।[24] এছাড়া মিশরে জামাল আবদুল নাসের,[25] আলজেরিয়ায় ইসলামিক সলভেশন ফ্রন্টের (FIS) বিরোধী গ্রুপ[26] এবং ইরাকের বাথপন্থী শাসকগণ কামালবাদী আদর্শ দ্বারা প্রভাবিত ছিল।[27] কামালপন্থীদের মতে, কেউ যদি সত্যিকার অর্থে আধুনিক হতে চায়, তাকে অবশ্যই ইউরোপীয় সংস্কৃতি ধারণ করতে হবে। আর তা শুধু ধারণ করলেই চলবে না, বরং এই ‘ইউরোপীয় মিরাকল’কে[28] অনুকরণ, পুনরুৎপাদন ও ছড়িয়ে দিতে হবে।[29] ইউরোপীয় সংস্কৃতির ধারক এসব কামালবাদীদের এ ধরনের পশ্চিমা অনুকরণ এক প্রকারের অন্ধ ভক্তির নামান্তর।[30]

উপনিবেশ পরবর্তী সময়ে কামালবাদীদের পশ্চিমের অনুকরণ ছিল এক ধরনের বিকৃত ব্যাপার। এ ধরনের অনুকরণের ফলে কামালবাদ তার লক্ষ্য অর্জনে পশ্চিমের মতো পুরোপুরি সফল হতে পারেনি। কামালবাদীদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে ‘পাশ্চাত্য’ (Western) আর ‘পাশ্চাত্যকরণ’ (Westernized) এর মধ্যে পার্থক্য তৈরি হয়। অথচ এক সময় এ দুটো একই ব্যাপার ছিল। কামালবাদীরা ‘পাশ্চাত্যকরণ’ শুরু করায় এই পার্থক্য সূচিত হয়। এই অন্ধ অনুকরণের ফলে কামালবাদীরা পাশ্চাত্যের মৌলিকত্ব ধরে রাখতে পারেনি, যদিও তারা পাশ্চাত্যের কিছু উপাদান ও বৈশিষ্ট্য আয়ত্ব করতে পেরেছিল। কামালবাদী শাসনব্যবস্থা মুসলিম বিশ্ব থেকে ইউরোপীয় কলোনী মাস্টারদের আনুষ্ঠানিক বিদায়ের পর কায়েম হয়েছে বটে, তবে এটা ছিল পশ্চিমা উপনিবেশেরই অংশমাত্র। এটা সম্ভব হয়েছিল কামালবাদীদের ইউরোপের প্রতি মোহাবিষ্ট থাকার কারণে, যা শেষ পর্যন্ত পাশ্চাত্যের শ্রেষ্ঠত্বকেই মেনে নেয়।

অতএব, উপনিবেশ-উত্তর এই ধরনের শাসনব্যবস্থাগুলো ছিল প্রকৃতপক্ষে উপনিবেশবাদেরই ধারাবাহিকতা মাত্র। কথাটা এভাবেও বলা যায়, কলোনী মাস্টারবিহীন উপনিবেশবাদ, যেখানে উপনিবেশ-উত্তর ব্যবস্থার আড়ালে কলোনী মাস্টাররা নিজেদের লুকিয়ে রাখে।[31]

উপনিবেশ-উত্তর মুসলিম বিশ্বের ইউরোপমুখীনতার একটি দৃষ্টান্ত হিসেবে আমি কামালবাদকে দেখিয়েছি। যা ইউরো-আমেরিকান বিশ্বের অন্ধ অনুকরণ করে। তারা ছোটবড় যে কোনো জাতিরাষ্ট্রের নানা সমস্যা সমাধানে পাশ্চাত্যের আদর্শিক ও উন্নয়নের প্যারাডাইমের শ্রেষ্ঠত্বকে মেনে নেয়। এসবের প্রেক্ষিতে বলা যায়, ‘ইসলামিজম’ জাতিরাষ্ট্র, জাতীয়তাবাদ ও সেক্যুলারিজমের মতো ধারণাগুলোর সমালোচক। ইসলামপন্থীদের মতে, এসব মতাদর্শে পশ্চিমাদের রাজনৈতিক ও আদর্শিক জ্ঞানতাত্ত্বের ছাপ ফুটে উঠে। এই জায়গা থেকে ইসলামিজম এবং জাতিরাষ্ট্র ধারণার মধ্যকার সংশয়পূর্ণ সম্পর্ককে তাত্ত্বিকভাবে বোঝাপড়ার অবকাশ রয়েছে।

রেফারেন্স ও নোট:

[1] Sayyid, A Fundamental Fear, p. 78.
[2] প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৫২
[3] (অনু.) A Fundamental Fear বইয়ের লেখক।
[4] প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৫৩
[5] (অনু.) একটি রাজনৈতিক মতবাদ, যেখানে অভিজাত শ্রেণীর স্বার্থের বিপরীতে সাধারণ মানুষের স্বার্থ রক্ষার কথা বলা হয়।
[6] (অনু.) অর্থনৈতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রে রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপকে সমর্থনকারী মতবাদ।
[7] Ernesto Laclau, On Populist Reason (London: Verso, 2005), p. 208.
[8] Sayyid, A Fundamental Fear, p. 63-79
[9] (অনু.) আঙ্কারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফ্যাকাল্টি অব কমিউনিকশনের মেম্বার ও গবেষক।
[10] Nur Betül Çelik, ‘The constitution and dissolution of the Kemalist imaginary’, in David Howarth, Aletta J. Norval and Yannis Stavrakakis, eds. Discourse Theory and Political Analysis: Identities, Hegemonies and Social Change (Manchester: Manchester University Press, 2000), p. 195.
[11] Sayyid, A Fundamental Fear, p. 64
[12] প্রাগুক্ত
[13] প্রাগুক্ত
[14] প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৭৮
[15] Bryan S. Truner, Weber and Islam (London: Routledge and Kegan Paul, 1974), p. 168.
[16] Amartya Sen, The Argumentative Indian: Writings on Indian History, Culture and Identity (London: Allen Lane, 2005), pp 16–25.
[17] Debiprasad Chattopadhyaya, Indian Atheism: A Marxist Analysis, 1969. (New Delhi: People’s Publishing House, 1980), p. 29.
[18] Paul E. Walker, ‘The Political Implications of al-Rāzī’s Philosophy’, in Charles E. Butterworth, ed. The Political Aspects of Islamic Philosophy: Essays in Honor of Muhsin S. Mahdi (Cambridge, MA: Harvard University Press, 1992), p. 68; Sarah Stroumsa, Freethinkers of Medieval Islam: Ibn al-Rawāndī, Abū Bakr al-Rāzī and Their Impact on Islamic Thought (Leiden: Brill, 1999); Edward Grant, A History of Natural Philosophy: From the Ancient World to the Nineteenth Century (Cambridge: Cambridge University Press, 2007), pp 84–87; Peter S. Groff, Islamic Philosophy A–Z (Edinburgh: Edinburgh University Press, 2007), pp 179–181; John L. Esposito, The Oxford Dictionary of Islam (Oxford: Oxford University Press, 2003), p. 263.
[19] Reynold A. Nicholson, A Literary History of the Arabs, 1930. (London: Kegan Paul International, 1998), pp 316–324; Philip K. Hitti, Islam: A Way of Life (Minneapolis: University of Minnesota Press, 1970), pp 147–148.
[20] (অনু.) ১৬৪৮ সালে ‘রোমান চার্চ’, স্পেন সাম্রাজ্য ও ‘ডাচ প্রজাতন্ত্রের’ মধ্যে জার্মানীর ওয়েস্টফেলিয়া শহরে চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এটি ছিল অনেকগুলো চুক্তির সমাহার (সিরিজ অব ট্রিটি)। তখন থেকে জাতিরাষ্ট্র ভিত্তিক রাজনৈতিক ব্যবস্থার উদ্ভব ঘটে এবং জাতিরাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব মেনে নেয়া হয়।
[21] Sayyid, A Fundamental Fear, p. 65
[22] প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৬, পৃষ্ঠা ৭৮
[23] প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৭
[24] প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৬৯-৭১
[25] প্রাগুক্ত
[26] প্রাগুক্ত, পৃষ্ঠা ৭২
[27] প্রাগুক্ত
[28] (অনু.) রেনেসাঁ, শিল্পবিপ্লব ও উপনিবেশ স্থাপনের মাধ্যমে ইউরোপের উত্থানকে এরিক জোন্স ‘ইউরোপিয়ান মিরাকল’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এ সম্পর্কিত তার বইটির নাম ‘দ্যা ইউরোপিয়ান মিরাকল’। এটি প্রকাশিত হয় ১৯৮১ সালে।
[29] Sayyid, A Fundamental Fear, p. 68
[30] জ্যাঁক ল্যাকার মনোবিশ্লেষণমূলক দৃষ্টিকোণ থেকে mimicry শব্দটিকে ব্যাখ্যা করা হয়েছে। দেখুন The Four Fundamental Concepts of Psycho-Analysis, ed. Jacques-Alain Miller and trans. Alan Sheridan (Harmondsworth, Eng: Penguin Books, 1979), p. 73, pp 98–99. এছাড়া উপনিবেশ-উত্তর তাত্ত্বিক Homi Bhabha ল্যাকার mimicry ধারণাটিকে আরো বিস্তারিত ব্যাখ্যা করেছেন। দেখুন Homi Bhabha, The Location of Culture (London: Routledge, 1994), pp 86–90.
[31] Ajit Chaudhury, Dipankar Das and Anjan Chakrabarti, Margin of Margin: Profile of an Unrepentant Postcolonial Collaborator (Calcutta: Anusthup, 2000), pp 2–3.

আবিদুল ইসলাম চৌধুরী
আবিদুল ইসলাম চৌধুরী
লেখক চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আন্তজার্তিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।

আপনার মন্তব্য লিখুন