সকল লেখক

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের অধ্যাপক।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তজার্তিক সম্পর্ক বিভাগ থেকে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেছেন। সিএসসিএসে গবেষণা সহকারী হিসেবে কাজ করেছেন। বর্তমানে একটি বেসরকারী প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।
মিউজিক কম্পোজার, গায়ক, গীতিকার, গিটারিস্ট, পিয়ানিস্ট, কবি ও সাংবাদিক। সমমনা কয়েকজনকে নিয়ে ঢাকায় একটি সঙ্গীত একাডেমি পরিচালনা করেন।
বিংশ শতাব্দীর সবচেয়ে প্রভাবশালী বুদ্ধিজীবীদের অন্যতম। সমাজবিজ্ঞানী ও দার্শনিক। ১৯৭৯ সালে সংঘটিত ইরান বিপ্লবের তাত্ত্বিক রূপকার।
তাকওয়া লেইনের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট। 'সহজ কুরআন' নামে দুই খণ্ডের বই লিখেছেন।
সান ডিয়েগো স্টেট ইউনিভার্সিটির রাজনীতিবিজ্ঞানের অধ্যাপক। তিনি ‘সেক্যুলারিজম অ্যান্ড স্টেট পলিসিজ টুওয়ার্ড রিলিজিয়ন: দি ইউনাইটেড স্টেটস, ফ্রান্স, অ্যান্ড টার্কি’ গ্রন্থের লেখক এবং ‘ডেমোক্রেসি, ইসলাম, অ্যান্ড সেক্যুলারিজম ইন টার্কি’ গ্রন্থের কো-এডিটর (আলফ্রেড স্টিফেনের সাথে)। ‘ইসলাম, অথরিটারিয়ানিজম, অ্যান্ড আন্ডারেডভেলপমেন্ট: অ্যা গ্লোবাল অ্যান্ড হিস্টিক্যাল কম্পারিজন’ ২০১৯ সালের আগস্টে প্রকাশিত তার নতুন বই।
শীর্ষস্থানীয় ইসলামী চিন্তাবিদ ও পণ্ডিত। ইসলামী জ্ঞানে তাঁর গভীরতা এবং সমসাময়িক বিশ্বে ইসলাম ও মুসলমানদের করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনামূলক মতামতের জন্য তিনি বিশ্বব্যাপী সম্মান, শ্রদ্ধা ও ভালোবাসার পাত্র। পড়াশোনা করেছেন আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে। ছাত্রজীবনেই শিক্ষকদের নিকট হতে আল্লামা খেতাবে ভূষিত হয়েছিলেন। নারী শিক্ষা ও ক্ষমতায়ন এবং মানবাধিকারের সপক্ষে তিনি সোচ্চার। শতাধিক বইয়ের রচয়িতা। বর্তমানে কাতারে নির্বাসিত জীবনযাপন করছেন।
ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ব্রুকিংস ইনস্টিটিউশন, দোহা সেন্টারের বৈদেশিকনীতি বিষয়ক গবেষক। একইসাথে জর্জটাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের কাতার ক্যাম্পাসে অধ্যাপক।
একজন প্রভাবশালী আমেরিকান স্কলার ও জনপ্রিয় বক্তা। তিনি হিউস্টন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে বিএসসি ডিগ্রি লাভ করেন। তারপর মদীনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে হাদীস শাস্ত্রে বিএ এবং ধর্মতত্ত্বের উপর মাস্টার্স ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। তারপর ২০০৫ সালে আমেরিকায় ফিরে গিয়ে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ও এমফিল করার পর ইসলামিক স্টাডিজের উপর পিএইচডি করেন। কর্মজীবনে তিনি আল-মাগরিব ইনস্টিটিউটের অ্যাকাডেমিক অ্যাফেয়ার্সের ডিন। এছাড়া টিনেসি রাজ্যের মেমফিসে অবস্থিত রডস কলেজের রিলিজিয়াস স্টাডিজের অধ্যাপক হিসেবেও তিনি কর্মরত।
জন্মেছেন সুইজারল্যান্ডের জুরিখে। বেড়ে ওঠেছেন কানাডার মন্ট্রিলে। পড়াশোনা করেছেন মনোবিদ্যা নিয়ে। The Power of Meaning: Finding Fulfillment in a World Obsessed With Happiness বইয়ের লেখিকা। সাংবাদিকতা করেন। ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল, নিউ ইয়র্ক টাইমস, টাইম, দ্য আটলান্টিকসহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় তাঁর লেখা ছাপা হয়।
দর্শন নিয়ে পড়াশোনা করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে। উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। পেশায় সাংবাদিক। একাধিক বইয়ের লেখক। ব্লগার।
শিক্ষক, ক্যালগরি ইসলামিক স্কুল, কানাডা।
তিনি (১৯৬১-২০১৬) ছিলেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার আল-হাদীস অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক। টিভি আলোচক ও গবেষক হিসেবেও তাঁর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে। ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বাংলা, ইংরেজি ও আরবি ভাষায় প্রায় অর্ধ শতাধিক বইয়ের রচয়িতা।
মুন্সীগঞ্জের সরকারি হরগঙ্গা কলেজের ইংরেজি বিভাগের শিক্ষক। পড়াশোনা করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে। 'চিন্তাযান' নামে একটি ষান্মাসিক জার্নালের সম্পাদক।
মিশরীয় বংশোদ্ভূত কানাডীয় ইসলামী স্কলার। কানাডার সেইন্ট মেরি ইউনিভার্সিটির সাবেক অধ্যাপক। লেখক, অ্যাক্টিভিস্ট ও বক্তা হিসেবেও সুপরিচিত। ইসলামের সামাজিক দিক নিয়ে তাঁর অনেক কাজ রয়েছে।
কানাডিয়ান লেখক, সাংবাদিক, ব্রডকাস্টার ও ফিল্মমেকার। মুসলিম সমাজে নারীদের অধিকার প্রতিষ্ঠা নিয়ে তিনি কাজ করেন।
মাকাসিদে শরীয়াহর উপর একজন শীর্ষস্থানীয় বিশেষজ্ঞ। ‘মাকাসিদ ইনস্টিটিউট গ্লোবাল’ নামক একটি থিংকট্যাংকের প্রেসিডেন্ট। ফিকহ কাউন্সিল অব নর্থ আমেরিকা, দ্য ইউরোপিয়ান কাউন্সিল ফর ফতওয়া এবং ফিকহ একাডেমি অব ইন্ডিয়ার সদস্য। পড়াশোনা করেছেন আল-আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে। পরবর্তীতে যুক্তরাজ্যের ইউনিভার্সিটি অব ওয়েলস এবং কানাডার ইউনিভার্সিটি অব ওয়াটারলু থেকে ইসলামী আইন ও সিস্টেম অ্যানালাইসিসের উপর দুটি পিএইচডি করেছেন। বিভিন্ন দেশের বেশ কটি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনা করেছেন। আরবী ও ইংরেজিতে প্রায় ২৫টি বইয়ের লেখক।
তড়িৎ প্রকৌশলে ব্যাচেলর করেছেন আইইউটি থেকে। তারপর স্মার্ট ইলেকট্রিক্যাল নেটওয়ার্ক অ্যান্ড সিস্টেমের উপর নেদারল্যান্ডসের আইন্ডহোভেন ইউনিভার্সিটি এবং সুইডেনের কেটিএইচ রয়্যাল ইন্সিটিউট অব টেকনোলজি থেকে মাস্টার্স করেছেন। ২০১৫ সাল থেকে ফ্লোর কর্পোরেশনের আমস্টারডাম অফিসে এসোসিয়েট ডিজাইন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করছেন। শোস্যাল মিডিয়ার লেখালেখি করেন।
লন্ডননিবাসী স্কলার, লেখক, সাংবাদিক, কালচারাল ক্রিটিক ও পাবলিক ইন্টেলেকচুয়াল। ইসলাম, সংস্কৃতি, নৃতত্ত্ব, দর্শনসহ নানা বিষয়ে প্রায় অর্ধশতাধিক বইয়ের লেখক। 'মুসলিম ইনস্টিটিউট' নামে লন্ডনভিত্তিক একটি থিংকট্যাঙ্কের প্রতিষ্ঠাতা।
কুইন মেরি ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনের সেন্টার ফর দ্য হিস্টরি অব ইমোশনের পলিসি ডিরেক্টর। তাঁর লেখা ‘ফিলোসফি ফর লাইফ অ্যান্ড আদার ডেঞ্জারাস সিচুয়েশনস’ বইটি এ পর্যন্ত ১৯টি দেশে প্রকাশিত হয়েছে। ২০১৩ সালে তিনি ‘নিউ জেনারেশন থিংকার’ হিসেবে বিবিসি কর্তৃক মনোনীত হয়েছিলেন। বিশ্বের সর্ববৃহৎ দর্শন সংঘ ‘লন্ডন ফিলোসফি ক্লাব’ তিনি পরিচালনা করেন।
ইসলামিক স্টাডিজে অনার্স করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে। বর্তমানে তুরস্কের উলুদাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে ইসলামিক স্টাডিজে (তাফসির) মাস্টার্সে অধ্যয়নরত।
'মিডল ইস্ট আই' ম্যাগাজিনের এডিটর ইন চিফ। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন ব্রিটিশ দৈনিক গার্ডিয়ানে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করেছেন। প্রায় পঞ্চাশ বছরের দীর্ঘ সাংবাদিকতা জীবনের পুরোটাই তাঁর কেটেছে মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে। পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে দুই বার অপহৃত হয়েছেন। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর রাজনীতি নিয়ে বেশ কয়েকটি বইয়ের রচয়িতা।
একজন সুইস শিক্ষাবিদ, বুদ্ধিজীবী এবং লেখক। ২০০৪ সালের টাইম ম্যাগাজিনের জরিপ অনুযায়ী একুশ শতকে বিশ্বসেরা ১০০ জন বিজ্ঞানী ও চিন্তাবিদের মধ্যে তিনি অন্যতম। তিনি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির কনটেম্পোরারি ইসলামিক স্টাডিজের অধ্যাপক। পাশাপাশি কাতারের দোহায় অবস্থিত রিসার্চ সেন্টার অফ ইসলামিক লেজিসলেশন অ্যান্ড এথিক্সের ডিরেক্টর। চিন্তা-গবেষণা বা ইজতিহাদের মাধ্যমে মুসলিম জীবনের বর্তমান সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য তিনি কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি ত্রিশটির বেশি বইয়ের রচয়িতা।
কুয়েতি লেখক, ইতিহাসবিদ, ব্যবসায়ী ও মুসলিম স্কলার। আরববিশ্বের পাশাপাশি পাশ্চাত্য মুসলিম সমাজেও তাঁর ব্যাপক গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
তিনি (১৯০৮-১৯৯৯) ছিলেন একাধারে শিক্ষাবিদ, দার্শনিক, লেখক ও জাতীয় অধ্যাপক। ভাষা আন্দোলনের বিশিষ্ট সৈনিক ও তমদ্দুন মজলিসের সভাপতি হিসেবেও সমধিক পরিচিত। সাহিত্য, দর্শন, সমাজ, সংস্কৃতি বিষয়ে অধ্যাপক আজরফের প্রায় ৬০টি গ্রন্থ প্রকাশিত হয়েছে এবং প্রায় ৪০টিরও বেশি গ্রন্থ অপ্রকাশিত রয়েছে।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে পড়েছেন। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস টেক ইউনিভার্সিটিতে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক ও তুলনামূলক রাজনীতিতে পিএইচডি অধ্যয়নরত।
আমেরিকান মুসলিম দা’ঈ। কোরআনকে আকর্ষণীয়ভাবে তুলে ধরার চমৎকার দক্ষতার কারণে বিশ্বব্যাপী তরুণদের নিকট অত্যন্ত জনপ্রিয়। যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত 'বাইয়্যিনাহ ইনস্টিটিউট' নামক একটি আরবি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা। দ্যা রয়্যাল ইসলামিক স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ অব জর্ডানের জরিপে তিনি বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ৫০০ জন মুসলিম ব্যক্তিত্বের একজন।
তুরস্ক ও তিউনিশিয়ার ইসলামপন্থী আন্দোলনগুলোর রাজনৈতিক কার্যক্রমের উপর বিশেষজ্ঞ। আন্তর্জাতিক সম্পর্ক নিয়ে পড়াশোনা করেছেন তুরস্কে। বিভিন্ন সংস্থায় দায়িত্ব পালন করেছেন। খণ্ডকালীন শিক্ষকতাও করেছেন। বর্তমানে পিএইচডি করছেন অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে।
পিএইচডি করেছেন অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি থেকে। বর্তমানে কলকাতার প্রেসিডেন্সি বিশ্ববিদ্যালয়ে রাষ্ট্রবিজ্ঞানের সহকারী অধ্যাপক।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক। একাধিক বইয়ের লেখক।
তুরস্কভিত্তিক থিংকট্যাংক আল-শার্ক ফোরামের ট্রেইনিং ডিরেক্টর। Wahhabism and the Brotherhood: the conflict on the concept of the state and the legitimacy of power শীর্ষক বইয়ের লেখক।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবী বিভাগের প্রফেসর। চট্টগ্রাম শহরের মেহেদিবাগ সিডিএ জামে মসজিদের খতিব।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষক ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক। মুসলিম দর্শন, বিশেষ করে আল-ফারাবীর উপর আন্তর্জাতিকভাবে খ্যাতনামা বিশেষজ্ঞ।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক। বিজ্ঞানের দর্শন নিয়ে পিএইচডি করেছেন ভারতের আলীগড় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক।
তুর্কি সাংবাদিক ও লেখক। 'ইসলাম উইদাউট এক্সট্রিমস, 'দ্য ইসলামিক জেসাস' তাঁর উল্লেখযোগ্য বই। হুররিয়াত ডেইলি নিউজ, আল মনিটর, নিউ ইয়র্ক টাইমসের নিয়মিত কলাম লেখক।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, কুষ্টিয়ার দাওয়াহ অ্যান্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের অধ্যাপক। ইসলামী শরীয়াহ ও ফিকাহ নিয়ে একাধিক বইয়ের লেখক।
ভারতীয় বংশোদ্ভূত সুপরিচিত আলেম। হাদীস, ফিকাহ, মুসলিম পণ্ডিতদের জীবনীসহ ২৫টিরও বেশি বইয়ের লেখক। সম্প্রতি তিনি 'আল-মুহাদ্দিসাত' শিরোনামে প্রায় নয় হাজার নারী হাদীস বিশারদের জীবনী নিয়ে ৫৩ খণ্ডের গবেষণামূলক বিশাল বই লিখেছেন। বর্তমানে ক্যামব্রিজ ইসলামিক কলেজের ডিন এবং আল-সালাম ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নিজেকে একজন জীবনবাদী সমাজকর্মী হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিলোসফি পড়িয়ে জীবিকা নির্বাহ করি। গ্রামের বাড়ি ফটিকছড়ি, চট্টগ্রাম। থাকি চবি ক্যাম্পাসে। নিশিদিন এক অনাবিল ভবিষ্যতের স্বপ্ন দেখি। তাই, স্বপ্নের ফেরি করে বেড়াই। বর্তমানে বেঁচে থাকা এক ভবিষ্যতের নাগরিক।
আফগান বংশোদ্ভূত ড. কামালী ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব মালয়েশিয়ার আইন বিভাগের সাবেক অধ্যাপক। বর্তমানে মালয়েশিয়ার ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব অ্যাডভান্সড ইসলামিক স্টাডিজের প্রধান। ইসলামী আইনের উপর জীবিতদের মধ্যে ইংরেজি ভাষায় তাঁর লেখাই সবচেয়ে বেশি পড়া হয়।
তিউনিশীয় রাজনীতিবিদ ও চিন্তক। আন নাহদা দলের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা। তিনি দলটির বুদ্ধিবৃত্তিক নেতা হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। ঘানুশী হলেন সেই দুর্লভ ব্যক্তিদের একজন, যিনি একইসাথে ইসলামপন্থী তাত্ত্বিক ও রাজনৈতিক নেতা।
আলেক্সান্দ্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে চিকিৎসাবিদ্যায় গ্রাজুয়েট। বর্তমানে মালয় বিশ্ববিদ্যালয়ে DrPH (Doctor of Public Health) প্রার্থী।
তিউনিশীয় লেখক, রাজনীতিবিজ্ঞানী এবং কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক। আরব বিশ্বের গণতন্ত্রায়ন, হিউম্যান রাইটস, ইসলামী সভ্যতা ও পাশ্চাত্যের মধ্যকার সংলাপ ইত্যাদি তাঁর লেখালেখির মূল বিষয়।
Islamic Institute for Development & Research (IIDR)'র প্রতিষ্ঠাতা পরিচালক। ফিকাহ শাস্ত্র নিয়ে পড়াশোনা করেছেন আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ে । তারপর আরবী ভাষা ও সাহিত্য নিয়ে মিশরের আলেক্সান্দ্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয় ও আইন বিষয়ে সোয়াস ইউনিভার্সিটি অব লন্ডনে পড়াশোনা করেছেন। তাঁর প্রকাশিতব্য বই: Sacred Law in Secular Spaces and Entrepreneurship: An Islamic Imperative। বিখ্যাত মিডিয়া কোম্পানি 'অ্যাওয়াকেনিং রেকর্ডস'-এর তিনি উদ্যোক্তা ও সিইও।
গ্রাজুয়েশন করেছেন চুয়েট থেকে। উচ্চতর পর্যায়ে পড়াশোনা করেছেন সুইডেনের লিংকপিং ইউনিভার্সিটিতে। বর্তমানে তথ্যপ্রযুক্তি নিরাপত্তা বিষয়ক গবেষক হিসেবে আয়ার‍ল্যান্ডের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত।
ব্রুকিংস ইন্সটিটিউশনের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো। রাজনৈতিক ইসলাম বিশেষজ্ঞ। Temptations of Power: Islamists and Illiberal Democracy in a New Middle East, Rethinking Political Islam এবং Islamic Exceptionalism: How the Struggle Over Islam is Reshaping the World-এর মতো সাড়া জাগানো বইয়ের লেখক।
বাংলাদেশ সরকারের সাবেক সচিব, অর্থনীতিবিদ, শিক্ষাবিদ ও মিডিয়া ব্যক্তিত্ব। ইসলামী অর্থনীতি, ফিকাহ, নারী অধিকারসহ নানা বিষয়ে ১০টিরও অধিক বই লেখক।
একজন আমেরিকান টেকনোলজি এক্সিকিউটিভ, অ্যাক্টিভিস্ট ও লেখক। ফেসবুকের চীফ অপারেটিং অফিসার। এর আগে গুগলের ভাইস প্রেসিডেন্ট হিসেবে কাজ করেছেন। এছাড়া তিনি Lean In Foundation নামে নারীদের জন্য প্রতিষ্ঠিত একটি অলাভজনক সংস্থার উদ্যোক্তা।
তিউনিশিয়ার মুসলিম ডেমোক্র্যাটিক দল আন নাহদার নতুন প্রজন্মের নেত্রী। স্বীয় যোগ্যতা ও দক্ষতায় দলটির কেন্দ্রীয় কমিটিতে স্থান করে নিয়েছেন। এর আগে মাত্র ২৭ বছর বয়সে সংসদ সদস্য নির্বাচনে জয়লাভ করেছিলেন। পরবর্তীতে তিউনিশিয়ার ভোকেশনাল ট্রেইনিং অ্যান্ড এন্টারপ্রেনারশিপ বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব লাভ করেন। ওয়ানিসি তাঁর দলের আন্তজার্তিক মুখপাত্র হিসেবেও দায়িত্ব পালন করছেন।
সিএসসিএস একটি গবেষণাধর্মী অধ্যয়ন কেন্দ্র। এর লক্ষ্য হলো মুক্ত জ্ঞান চর্চার আন্দোলন পরিচালনার মাধ্যমে চিরায়ত সামাজিক মূল্যবোধসমূহের লালন ও বিকাশ সাধনে সহায়তা প্রদান। বিস্তারিত দেখুন
লেখক, গবেষক ও অধ্যাপক। মধ্যপ্রাচ্যের আন্তর্জাতিক রাজনীতি তাঁর গবেষণার মূল আগ্রহের বিষয়। বর্তমানে ইউনিভার্সিটি অব পেনসিলভানিয়ার আন্তর্জাতিক সম্পর্কের লেকচারার।
যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত জাইতুনা কলেজের সহ-প্রতিষ্ঠাতা এবং ইসলামী আইন ও ধর্মতত্ত্বের অধ্যাপক। একইসাথে তিনি ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলেতে সিনিয়র লেকচারার হিসেবে পড়ান।
তিউনিশীয় প্রকৌশলী, ইসলামপন্থী রাজনীতিবিদ ও সাংবাদিক। স্বৈরশাসন পরবর্তী ২০১১-২০১৩ সময়কালে তিউনিশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। ২০১৪ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের আগ পর্যন্ত তিনি দেশটির অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল ইসলামপন্থী আননাহদার সেক্রেটারি জেনারেল হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।
ড. হাসান তুরাবী (১৯৩২-২০১৬) শীর্ষস্থানীয় একজন ইসলামী স্কলার। প্রচলিত ইসলামী শিক্ষাগ্রহণের পাশাপাশি আইন বিষয়ে পড়াশেনা করেছেন দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে। ফ্রান্সের সরবোন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি করেছেন। তিনি ছিলেন একইসাথে স্কলার এবং সুদানের রাজনৈতিক নেতা। পার্লামেন্টের স্পিকার, অ্যাটর্নি জেনারেল, আইনমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। ইসলামের মৌলিক আকীদা, নারী অধিকার ও ইসলামের রাজনৈতিক বিষয়ের উপর তিনি এক ডজনের অধিক বই লিখেছেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক। বাংলাদেশের ইসলামপন্থী রাজনীতি নিয়ে তিনিই সর্বপ্রথম পিএইচডি ডিগ্রি করেছেন।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের সাবেক ডিন ও লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক। কবি, প্রাবন্ধিক ও প্রগতিশীল চিন্তাবিদ।