ফরহাদ মজহার এদেশে মার্কসবাদের প্রচলিত তাত্ত্বিক বয়ানের সংস্কার করেছেন। ধর্ম প্রশ্নে এবং বিশেষ করে ইসলাম প্রশ্নে এদেশে মার্কসবাদের গতানুগতিক “আফিম তত্ত্ব”টি-ই বিরাজ করত। তিনি “তরুণ মার্কস পাঠ” সূত্রে এই প্রচলিত বয়ান পরিত্যাগ করে মার্কসবাদী অবস্থান থেকে ধর্ম ও ইসলাম প্রশ্নকে আরো স্মার্টলি ডিল করেছেন। এর ফলে ফরহাদ মজহারের মার্কসবাদী রাজনীতি এদেশে ইসলামপন্থার বিভিন্ন ধারার সঙ্গে তার ও তার অনুসারীদের একধরনের মৈত্রী তৈরি করতে সক্ষম হয়েছে। এটা এদেশে মার্কসবাদের প্রতি তার একটা গুরুত্বপূর্ণ তাত্ত্বিক ও প্রায়োগিক অবদান।

এছাড়া তিনি একাত্তরের ১০ এপ্রিল ‘স্বাধীনতার ঘোষণাপত্র’-এ উল্লেখিত তিন মূলনীতি — সাম্য, মানবিক মর্যাদা ও সামাজিক ন্যায়বিচার — ভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধের একটি নতুন বয়ান প্রস্তাব ও প্রচার করেন। যা ১৯৭২-এ বাংলাদেশ সংবিধানে গৃহীত ৪ জাতীয় মূলনীতির চাইতে অনেক ন্যায্যভাবে বাংলাদেশ আন্দোলনের আদর্শিক ভিত্তি রচনা করে। যা অনেক বেশি অর্গ্যানিক ও অথেনটিক এবং আরোপিত নয়।

এই কারণে তিনি যখন অজ্ঞাতদের দ্বারা তার বাসার সামনে থেকে অপহৃত হয়েছিলেন তখন তার সমর্থনে আমি ফেসবুকে একটি নিবন্ধও লিখেছিলাম। সেটি আমার “রিথিংকিং ইসলাম” বইতে অন্তর্ভুক্ত হয়ে প্রকাশিতও হয়েছে। একারণে আমাকে মুসলিম স্বাতন্ত্র্যবাদী ও ইসলামবাদী –উভয় ধারা থেকেই সমালোচনা সহ্য করতে হয়। অবশ্য ফরহাদ মজহারের সঙ্গে আমার এই পর্যায়ে ভাল সম্পর্ক ছিল। তিনি আমার এই লেখাকে এপ্রিশিয়েটও করেছিলেন।

কিন্তু আমি এরপরে তার উপরিল্লিখিত ইতিবাচক রাজনীতি এপ্রিশিয়েট করা সত্ত্বেও তার কিছু চিন্তা ও কাজের ক্রিটিক করা শুরু করি। আমি একটি লেখায় বলি যে আমরা ইসলাম শিখি রাসুল সা. এর কাছ থেকে, তারপরে তার সাহাবীদের কাছ থেকে এবং এখন নায়েবে রাসুল হক্কানী আলেমদের কাছ থেকে। চৈতন্য, নিতাই বা লালন থাকলেই কি আর না থাকলেই কি? তাদের ভাষ্য থেকে ইসলাম শেখার কোনো প্রয়োজন আমাদের নেই। একথা লেখার পর তিনি আমাকে ফেসবুক থেকে আনফ্রেন্ড করে দেন এবং সেই থেকে আমাদের যোগাযোগ আজ অব্দি বিচ্ছিন্ন আছে।

যাহোক, তার জন্মদিন উপলক্ষে তার চিন্তা ও কাজের ক্রিটিক হিশেবে নীচের ৪ টি আর্গ্যুমেন্ট আমি আপনাদের সমীপে আবারো বিনীতভাবে পেশ করছি:

১. উনি খোদ মুসলিম পরিচয়কে “পরিচয়বাদী”, “জাতিবাদী” বা “সাম্প্রদায়িক” মনে করেন। আসলে তা নয় কারণ মুসলিম সত্তা একটা ফিতরাতী বা মানবসত্তার অন্তর্নিহিত স্বভাবের বিষয়, কাজেই তা সার্বজনীন ও বৈশ্বিক।

২. উনি সমন্বয়বাদী বা সিনক্রেটিস্ট অর্থাৎ সবকিছু গুলিয়ে জগাখিচুড়ি বা ককটেল বানান যা বিভ্রান্তিকর। উনি হেগেল, তরুণ মার্কস, ফুকো, দেরিদা, চৈতন্য এবং লালনকে গুলিয়ে যে সর্বরোগহর বটিকা বানাতে চেয়েছেন তা আসলে একটি প্রান্তিক, অবক্ষয়ী ও নিম্নবর্গীয় বাঙালি সাব-কালচার বা লিটল ট্রাডিশন যার কোন ভবিষ্যত নেই।

৩. উনি চৈতন্য এবং লালনের যেসব ভাবের নবপ্রাণ দেবার কথা বলেন তা ইসলামের শরিয়ত সম্মত নয়। তা ইসলামের ডিসকার্সিভ ট্রাডিশনের যে পরিসর তার অন্তর্ভুক্ত নয়। কাজেই এদেশের বৃহত্তর মুসলিম জনগোষ্ঠীর কাছে তা গ্রহণযোগ্য নয়।

৪. উনি মওলানা ভাসানীর “জালিমের বিরুদ্ধে মজলুমের লড়াই” বলে পরিচিত মিশ্রধারার মার্কসিস্ট-মুসলিম রাজনীতিতে প্রাণ ও প্রকৃতির হেফাজতের প্রত্যয় মিশিয়ে যে লাল ও সবুজ মওলানার রুবুবিয়াতী বয়ান প্রচার করেন তা আংশিক ও অপর্যাপ্ত। তা ইসলামের ইক্বামতে দ্বীনের মত সামগ্রিক ও ব্যাপক নয়।

এবারে এই ৪ টি আর্গ্যুমেন্টকে আরেকটু বিস্তারিত/আর্টিক্যুলেট করে উপস্থাপন করছি:

১. ‘মুসলিম’ বলতে আসলে আমরা কাদেরকে বুঝবো? যারা মুসলিম পরিবারে জন্মেছে বা ঈমান এনেছে শুধু তাদের? নাকি প্রতিটি মানবসত্তার অন্তর্নিহিত ‘ফিতরাত’-এর আলোকে প্রত্যেকটি মানুষ-ই সম্ভাব্য মুসলিম? এই আলোকে ‘মুসলিম জাতি’ বা ‘মুসলিম সম্প্রদায়’ বলতে কোনো একটি বিশেষ এথনো-ন্যাশনালিস্ট-লিঙ্গুইস্টিক-জিওগ্রাফিক-থিওলজিকালি সীমাবদ্ধ জনগোষ্ঠী অর্থে ‘জাতি’ বা ‘সম্প্রদায়’-কে বোঝায় না। বরঞ্চ এক বৈশ্বিক ও সার্বজনীন ‘মানব জাতি বা সম্প্রদায়’-কে বোঝায়।

কাজেই যে বা যারা ‘মুসলিম’ পরিচয়কে ‘পরিচয়বাদী’, ‘জাতিবাদী’ বা ‘সাম্প্রদায়িক’ আখ্যা দেন তারা ভুল করেন। দ্বিতীয়ত এটা হল হোলিয়ার দ্যান দ্য হোলি এম্পায়ারের মত কথা বলা। এই ধরণের সমালোচকেরা বলেন যে মোমিনের জন্য ‘মুসলিম’ পরিচয় হল সংকীর্ণ ‘জাতিবাদী’ বা ‘সাম্প্রদায়িক’; কাজেই মোমিনকে ‘মানুষ’ ডাকাই যুক্তিসঙ্গত। এভাবে যখন তারা বলেন তখন তারা একটি ভুল করেন। সেটি হল তারা বোঝেন না যে কেবল ‘মানুষ’ পরিচয়ের মধ্যে তৌহিদে আত্মসমর্পণ থেকে ঈমান বা প্রশান্তিতে বিশ্বাস স্থাপনের সংশ্লিষ্টতা নেই। ‘মানুষ’ একটি মূল্য-নিরপেক্ষ বা ভ্যল্যু-নিউট্রাল পরিচয়। ‘মুসলিম’ বা ‘মোমিন’ তা নয়।

ফরহাদ মজহার এদেশের মুসলমানদের ‘পরিচয়বাদী’, ‘জাতিবাদী’ ও ‘সাম্প্রদায়িক’ আখ্যা দিয়ে তাদেরকে আসাবিয়ায় আক্রান্ত বা গোত্রতান্ত্রিক বলে মনে করেন। আবার তিনি এও বলেন যে ইসলাম এদেশে শুধু মর্ম আকারে আসেনি, এসেছে অনেক আরবী-ইরানী-তুরানী-হিন্দুস্তানী খোলস বা সত্তা গায়ে দিয়ে। কাজেই এদেশে ইসলামের মর্মীকরণ (Essentialization) করতে হবে; মধ্যপ্রাচ্যীয় বা মধ্য এশীয় আবরণ বা খোলস ঝেড়ে সাফ করতে হবে।

কিন্তু এই আবরণ বা খোলস ঝাড়ার নামে তিনি কি করছেন? তিনি এর নামে আরো অতিবাঙালিপনায় নেমে পড়ছেন। যেমন নদীয়ার ভাবচর্চা ও ছেউড়িয়ার বাউলচর্চার নামে নব-বৈষ্ণব ও নব-লালনবাদে ফানা ও বাকা হচ্ছেন। তাহলে কি দাড়াল? আরব-ইরানী-তুরানী-হিন্দুস্তানী পোশাক খুলে বৈষ্ণব বা বাউল পোষাক লাগিয়ে অতিবাঙালি-ই সাজা হচ্ছে, তাই না? অগ্রমুখী মর্মীকরণ তো হল না বরঞ্চ আরো পশ্চাতমুখী অস্তিত্বকরণ (Existentialization)-ই হল।

২. বাংলার পলিমাটিতে বহুবছর মৌখিক সংস্কৃতি বা ওরাল কালচারের জয়জয়কার ছিল। যতদিন তা ছিল ততদিন এদেশে সমন্বয়বাদের জন্য খুব উর্বর একটা ভূমি ছিল। যা-কিছুই এদেশে বিদেশ থেকে আসত তা স্থানীয় ও লোকায়তের সঙ্গে মিথষ্ক্রিয়ার গ্রহণ-বর্জন প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেত। এভাবে যে কোনো বিদেশী ধারণাকে দেশীয় আঙ্গিকে রাঙিয়ে নেয়া হত। অনেক ক্ষেত্রে বিদেশ থেকে আগত ধারণাটি এই সমন্বয়ী ক্রিয়া-প্রতিক্রিয়ার মধ্য দিয়ে তার স্বকীয়তা হারিয়ে ফেলত। এভাবে তা দেশীয় কোন রূপকল্পে পরিণত হত।

অনেকে বলেন বিদেশ থেকে আগত সুফিবাদ এভাবে বঙ্গের নদীয়ায় বৈষ্ণব চেতনার মধ্যে আত্মীকৃত হয়েছিল। এর ফলে সুফি চেতনা বঙ্গ সমাজের সর্বস্তরে প্রসারিত হবার সম্ভাবনা ক্ষুণ্ণ হয়েছিল। শ্রীচৈতন্যদেব এভাবে সুফি ইসলামের বিপ্লবী সম্ভাবনাকে সুকৌশলে বাধাগ্রস্ত করতে পেরেছিলেন। এই ধারা থেকে উৎপন্ন পরবর্তীকালের লালন সাঁইয়ের ফকিরী এবং তার প্রভাবে যে বাউলবাদ গড়ে ওঠে তাও স্বভাবের দিক থেকে একই প্রকৃতির ও একই উদ্দেশ্যে বিকশিত হয়েছিল। সুফিবাদী চেতনার তৃণমৌলিক বিকাশ ও বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করাই ছিল এসবের অঘোষিত লক্ষ্য।

নাউ ফাস্ট ফরোয়ার্ড টু আর্লি টুয়েন্টিফার্স্ট সেঞ্চুরি। এর আগে বিশ শতকের নব্বই দশকে বিশ্বায়িত পুঁজিবাদের সঙ্গে শীতল যুদ্ধের মধ্য দিয়ে সমাজতন্ত্রী বিশ্বের পতন ঘটেছে। এই প্রেক্ষাপটে রাজনৈতিক ইসলাম একটি বৈপ্লবিক সম্ভাবনা হিশেবে দেখা দিয়েছিল। বাংলাদেশও একটি মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ দেশ হিশেবে এই সমীকরণের বাইরে নয়। এই সময়ে আমরা দেখতে পেলাম বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতির নামে একটি উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদকে সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে। এটি প্রতিবেশী রাষ্ট্রের আধিপত্যবাদের সহায়ক শক্তি হিশেবে এদেশে ইসলামের রাজনৈতিক বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করছে।

একবিংশ শতকেও যা ঘটেছে তা বাংলার সেই পুরনো সিনক্রেটিস্ট ট্রাডিশন বা সমন্বয়বাদী ঐতিহ্যেরই ধারাবাহিকতা। উগ্র বাঙালি জাতীয়তাবাদও ছিল এই সমন্বয়ী প্রবণতার প্রয়োগের একটি সমকালীন উদাহরণ। আর এর সঙ্গে দেখা গেছে ফরহাদ মজহারের নেতৃত্বে একটি বামপন্থী গোষ্ঠী যারা মার্কস, ফুকো, দেরিদা, চৈতন্য, নিতাই এবং লালনকে মিশিয়ে একটি জগাখিচুড়ি বা ককটেল বানিয়ে একটি নবপ্রাণিত দর্শন খাড়া করার দাবি করছেন। এরাও আসলে দিনশেষে ঐ পুরনো ফর্মুলা অর্থাৎ সিনক্রেটিস্ট/সমন্বয়বাদী প্রক্রিয়ার আশ্রয় নিয়ে ইসলামের রাজনৈতিক বিকাশ ও বিস্তারকে বাধাগ্রস্ত করার যজ্ঞে শামিল হয়েছেন।

৩. কেউ যখন ইসলাম ইসলাম করে তখন আমাদেরকে প্রথমে খতিয়ে দেখতে হবে তার চিন্তার পা দুটো কোন জ্ঞানকান্ডের উপরে দাঁড়িয়ে আছে। তিনি কি ইসলামী জ্ঞানকান্ডের কেন্দ্রে তার অবস্থান সুনিশ্চিত করেছেন? নাকি পাশ্চাত্য জ্ঞানকান্ডের কেন্দ্রে নিজেকে সঁপে দিয়ে কোন এক বিশেষ স্বার্থ হাসিলে অথবা উদ্দেশ্য পূরণে ইসলামের দিকে শর্তযুক্ত সন্ধির হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন? অথবা তার ইসলাম-নিরপেক্ষ লক্ষ্য পূরণের জন্য ইসলামকে কেবল একটি সাময়িক উপায় বা উপযোগ হিশেবে দেখছেন? অর্থাৎ তাঁর কাছে Islam is nothing more than a means to an end; but Islam cannot be just a means to an end; Islam is an end in itself! ইসলাম এতটাই সাবলাইম এবং ট্রানসেন্ডেন্টাল যে একে হাফ হার্টেডলি বা আংশিকভাবে নিলে এর অনেক কিছুই হারাতে হয়।

৪. উলুহিয়াত, উবুদিয়াত, হাকিমিয়াত — এসবের মাধ্যমে আল্লাহর তৌহিদকে বিশ্লেষণ মানে কি তৌহিদকে বিভাজিত করে ফেলা? আল্লাহর ৯৯ টি সিফাত বা আসমা উল হুসানা থাকা মানে কি তৌহিদ ৯৯ ভাগে ভাগ হয়ে গেল? বিষয়টা এমন নয়। অবিভাজ্য সত্তার ফাঙ্কশনকে বোঝার সুবিধার্থে এই বিশ্লেষণ কিন্তু নট নেসেসারিলি বিভাজন।

দ্বিতীয়ত এভাবে ইমাম গাজালিও বিশ্লেষণ করে দেখেছেন। কাজেই গাজালি, তাইমিয়া ও মওদূদী — তিন যুগের তিন শ্রেষ্ঠ মুজাদ্দিদ যদি এভাবে দেখে থাকেন তাহলে আমাদের দেখতে অসুবিধা কোথায়? কাজেই ইসলামি রাষ্ট্র বা খেলাফতুল্লাহ নিশ্চিত করতে হলে শুধুমাত্র লাল মওলানা ভাসানীর মত খেলাফতে রাব্বানী বা রুবুবিয়াত কায়েম করতে চাইলেই হবে না; আর সেই সাথে প্রাণ ও প্রকৃতির হেফাজতের কথা বলে লাল মওলানার মাথায় একটি সবুজ টুপি পরিয়ে তাকে সবুজ মওলানা বানানোও যথেষ্ট নয়; ইলাহিয়াত ও উবুদিয়াত নিশ্চিত করার জন্য হাকিমিয়াত কায়েম করার যে ফর্মুলা ইক্বামতে দ্বীনের অনুসারীরা দিয়েছেন সেটার প্রতিও তাওয়াজ্জুহ দিতে হবে।

এইসব বিবেচনা থেকেই আমি ফরহাদ মজহারকে পুনর্পাঠ করি ও তার চিন্তা ও কাজকে বোঝার চেষ্টা করি।

পূর্ববর্তী পোস্টধর্ম ও জ্ঞান-বুদ্ধি
পরবর্তী পোস্টইসলামের মূলতত্ত্ব
গবেষক, শিক্ষাবিদ ও বুদ্ধিজীবী। জন্ম ১৯৬৭। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের 'মিনেসোটা স্টেট ইউনিভার্সিটি' থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। এবং যুক্তরাজ্যের ক্যাম্ব্রিজ ইউনিভার্সিটি থেকে শিক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। বর্তমানে প্রাইভেট সেক্টরে শিক্ষা গবেষণা ও উন্নয়ন বিষয়ে সিনিয়র কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ হিসাবে কর্মরত আছেন। বাংলা ভাষায় তাঁর প্রকাশিত গ্রন্থ: ‘রিথিংকিং ইসলাম ইন পোস্টমডার্ন টাইমস’ (২০১৮); ‘রুপালি কলসভরা রুহানি কাব্যজল’ [কাব্যগ্রন্থ] (২০১৯)।

১টি মন্তব্য

একটি মন্তব্য লিখুন

দয়া করে আপনার মন্তব্য লিখুন!
দয়া করে এখানে আপনার নাম লিখুন