শনিবার, সেপ্টেম্বর ২৩, ২০১৭
হোম > সামাজিক আন্দোলন > সংগঠন কাঠামো

সংগঠন কাঠামো

Social Movement 08ইসলামের কালোত্তীর্ণ মৌলিকত্ব এবং বিংশ শতাব্দীর প্রধান ইসলামী সংগঠন ও আন্দোলনসমূহের তাৎপর্যপূর্ণ অভিজ্ঞতা বিবেচনায় রেখে একবিংশ শতাব্দীর উপযোগী সংগঠন ও আন্দোলন গড়ে তোলা দরকার। যুগোপযোগী সংগঠন ও আন্দোলন ব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্যে পুরাতন বা প্রচলিত ‘চিন্তা-কাঠামো’র (paradigm) পুনর্গঠন হলো পূর্বশর্ত। ইসলাম এমন একটি মতাদর্শ, যা মূলত একটি অনন্য সামাজিক আন্দোলন; এর ভিত্তি হলো সুসামঞ্জস্যপূর্ণ তত্ত্ব এবং পরিণতি হলো রাজনৈতিক ব্যবস্থাসহ সমাজের বৃহত্তর লক্ষ্যসমূহ অর্জন।

উপর্যুক্ত দৃষ্টিভঙ্গীর আলোকে ইসলামের ভিত্তিতে একটি পূর্ণাঙ্গ সামাজিক আন্দোলনের গঠন-কাঠামো ও মৌলিক দিকগুলো নিয়ে একটি পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশন সুধী মহলে উপস্থাপন করা হয়েছে। সুধীবৃন্দের পরামর্শের কারণে এর একটি সংক্ষিপ্ত লিখিত ভাষ্য তৈরি করা হয়েছে। সিএসসিএস-এর পাঠকদের জন্য আজ লিখিত ভাষ্যের অষ্টম পর্ব উপস্থাপন করা হলো।

আলোচনা বুঝার সুবিধার্থে প্রেজেন্টেশনটি ডাউনলোড করে নিতে পারেন: পাওয়ারপয়েন্ট, পিডিএফ


৮.১ ও ৮.২: গুচ্ছ পদ্ধতির সংগঠন কাঠামো
প্রচলিত সংগঠন কাঠামোর বৈশিষ্ট্য হচ্ছে কেন্দ্রীভূত। কিন্তু সামাজিক আন্দোলনের প্রস্তাবিত সংগঠন কাঠামো হচ্ছে বিকেন্দ্রীভূত এবং গুচ্ছাকার। এ ধরনের সংগঠন কাঠামোর সহজ একটা উদাহরণ হলো মৌচাক। মৌচাকের কোনো কেন্দ্র নাই। এর প্রত্যেক প্রকোষ্ঠ একটা আরেকটার সাথে সম্পর্কিত। ফলে মৌচাকটি ক্রমান্বয়ে বড় হতে পারে। অথবা ধরা যাক, বিভিন্ন রং ও আকারের অনেকগুলো বেলুন একসাথে রাখা হয়েছে। বেলুনগুলোর প্রত্যেকটি স্বতন্ত্র হলেও সুতার একটি গিঁটের মাধ্যমে পরষ্পর সংযুক্ত।

মৌচাকের পরষ্পর সংযুক্ত কিন্তু স্বতন্ত্র প্রকোষ্ঠ গুচ্ছের মতো কোনো সমাজ ও রাষ্ট্রে প্রতিটি সেক্টরে নানামুখী সামাজিক সংগঠন ও আন্দোলন গড়ে তুলতে  হবে। এই সব স্বতন্ত্র ব্যক্তি বা গ্রুপগুলোর সৃজনশীলতা ও দায়বোধের সর্বোচ্চ মাত্রার বিকাশকে বিবেচনা করলে সামাজিক আন্দোলনে ব্যক্তি-উদ্যোগের (individual’s entrepreneurship) দিকটাকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। ইসলামসহ যে কোনো আদর্শনির্ভর সামাজিক আন্দোলনের জন্য এটি সমভাবে প্রযোজ্য।  

উল্লেখ্য, সামাজিক আন্দোলনের এই বিকেন্দ্রীভূত সাংগঠনিক কাঠামো প্রশাসনিক ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়। প্রশাসনিক দিক থেকে কোনো সংগঠন, বিশেষ করে রাষ্ট্রীয় সংগঠনের ‘কমান্ড-লাইন’ অবশ্যই এককেন্দ্রিক হতে হবে। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,

يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَأُولِي الْأَمْرِ مِنْكُمْ

অর্থ: হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলের আনুগত্য করো। আর আনুগত্য করো তোমাদের মধ্যকার দায়িত্বশীলদেরকে। [সূরা নিসা : ৫৯]

এখানে দায়িত্বশীল বলতে কোনো জনপদের সরকারী কর্মকর্তাকে বুঝানো হয়েছে। কোনো ইসলামী সংগঠনের নেতৃত্বসহ যে কোনো সংস্থা ও সংগঠনের নেতৃবৃন্দের হুকুম, ন্যায় লঙ্ঘন না হওয়া পর্যন্ত মান্য করা ওয়াজিব।  

৮.৩: বৈশিষ্ট্য
ব্যক্তি বা কোনো গ্রুপ নিজ নিজ আওতাধীন ক্ষেত্রে স্বতন্ত্রভাবে সামাজিক আন্দোলন করবে। প্রত্যেকটা স্বতন্ত্র সংগঠনের মধ্যে সর্বোচ্চ মাত্রায় প্রত্যক্ষ যোগাযোগ হতে পারে, কিন্তু তাদের মধ্যে পারস্পরিক সাংগঠনিক নির্ভরশীলতা যথাসম্ভব কম হওয়া উচিত। প্রচলিত সাংগঠনিক বৈশিষ্ট্যের অনেকটাই বিপরীত নতুন ধারার এই আন্দোলনে মানুষের আত্মপ্রীতির সহজাত বৈশিষ্ট্যকে বিশেষভাবে বিবেচনা করা হয়েছে। মানুষের এই সহজাত আত্মপ্রীতির ইতিবাচক বহিঃপ্রকাশ হলো সৃজনশীলতা। আল্লাম ইকবালের ‘খুদীতত্ত্বে’ আল্লাহর খলিফা হিসেবে ব্যক্তি-মানুষের এই অপরিমিত সম্ভাবনার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়েছে।

৮.৪: আন্তঃযোগাযোগ
কথা উঠতে পারে, এ ধরনের সাংগঠিক কাঠামোতে শক্তির সুসামঞ্জস্যতা না হয়ে এক ধরনের বিশৃঙ্খলা তৈরি হতে পারে। কিম্বা সাংগঠনিক ঐক্যবদ্ধতার বাধ্যবাধকতা ছাড়া বিকেন্দ্রীভূত সংগঠনগুলো কিভাবে সামাজিক শক্তি হিসেবে গড়ে উঠবে? এসব প্রশ্নের জবাব হলো, সংশ্লিষ্ট মৌলিক আদর্শগত বিষয়াদি এসব স্বতন্ত্র ও স্বাধীন সংগঠনগুলোর পারষ্পরিক যোগাযোগের ভিত্তি হবে। কারণ একই লক্ষ্যে পরিচালিত ব্যবস্থাগুলো সম-ধর্মী হতে বাধ্য। এর উদাহরণ হচ্ছে, নির্দিষ্ট একটি গন্তব্যে পৌঁছার উদ্দেশ্যে বিচ্ছিন্ন জনগোষ্ঠী যখন একই রাস্তায় অগ্রসর হয়, সবাই একই যানবাহনে না চড়া সত্ত্বেও তারা কিন্তু একই দিকে পরিচালিত হয়। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,

وَاعْتَصِمُوا بِحَبْلِ اللَّهِ جَمِيعًا وَلَا تَفَرَّقُوا

অর্থ: তোমরা সবাই মিলে আল্লাহর রজ্জুকে মজবুতভাবে আঁকড়ে ধরো এবং কখনো পরস্পর বিচ্ছিন্ন হয়ো না।  [সূরা আলে ইমরান: ১০৩]

ব্যক্তি বা স্বতন্ত্র গ্রুপকেন্দ্রিক উদ্যোগের ফলে পারস্পরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে। এর ফলে তাদের মধ্যে যোগ্যতা ও নেতৃত্ব গড়ে উঠবে এবং একজন আরেকজনকে ছাড়িয়ে যাবে। কোরআন শরীফে আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,

وَسَارِعُوا إِلَىٰ مَغْفِرَةٍ مِنْ رَبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالْأَرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ

অর্থ: সেই পথে তীব্র গতিতে ছুটে চলো যে পথ চলে গিয়েছে আকাশ ও পৃথিবীর সমান বিস্তৃত জান্নাতের দিকে এবং যা তৈরি করা হয়েছে খোদাভীরু লোকদের জন্য। [সূরা আলে ইমরান: ১৩৩]

অথচ সাংগঠনিক বাধ্যবাধকতার মধ্যে তীব্র গতিতে ছুটে চলা সম্ভব নয়। এক দড়িতে বাঁধলে ঘোড়াগুলো ছুটতে পারবে না। এমনকি কোনো ঘোড়ার গাড়িতে একাধিক ঘোড়া ব্যবহার করলে সেগুলোও পরষ্পরের সাথে বাঁধা থাকে না। এক ছাঁচে সবাইকে চালানোর চেষ্টা, বিশেষ করে, সামাজিক আন্দোলনের জন্য কখনো ভালো পদ্ধতি নয়। সওদাগরী জাহাজই কেবলমাত্র নির্দিষ্ট রুট অনুসারে চলে, যুদ্ধ জাহাজ নয়।

সাংগঠনিক বাধ্যবাধকতার পরিবর্তে এই স্বতন্ত্র উদ্যোগগুলোর আদর্শিক বাধ্যবাধকতাই যখন মূখ্য বিষয় হিসেবে বিবেচিত হবে তখন সেগুলি নিষ্ক্রিয় ও সর্বাত্মকবাদী সংগঠনমুখীনতার পরিবর্তে আদর্শমুখী হিসাবে গড়ে ওঠবে। সংগঠন হচ্ছে এক ধরনের formal structure। এ ধরনের কাঠামোতে যখন কাউকে এক ধরনের মান (standard)-এর অধিকারী হিসেবে ঘোষণা দেয়া হয়, তখন বাস্তবে তাঁর ন্যূনতম মানের সর্বদা উপরে থাকার কথা। অথচ দেখা যায়, অধিকাংশ সনদপত্রধারী ‘শিক্ষিত’ আচার-আচরণ ও জ্ঞানগত মান প্রকৃতপক্ষে শিক্ষিত পর্যায়ে নাই। দেখা যায়, অনেক ‘আল্লামা’র সাথে জ্ঞানের কোনো দৃশ্যমান সংযোগ নাই। আদর্শের দোহাই দিয়ে তৎপরিবর্তে ‘আদর্শবাদী সংগঠন’ই প্রাধান্য পেলে জ্যামিতিক হারে ‘ক্যাডার বৃদ্ধি’ই ঘটে, বাঞ্ছিত সামাজিক উন্নয়ন ও পরিবর্তন ঘটে না।

আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,

إِنَّ أَكْرَمَكُمْ عِنْدَ اللَّهِ أَتْقَاكُمْ

অর্থ: তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি অধিক মর্যাদাবান, যিনি তাক্বওয়া সম্পন্ন। [সূরা হুজুরাত: ১৩]

বলাবাহুল্য, নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে রিপোর্টভিত্তিক মানোন্নয়ন কখনো তাক্বওয়ার মাপকাঠি হতে পারে না। সর্বাবস্থায় ধৈর্যের শরয়ী সীমা যুদ্ধের ময়দান পর্যন্ত বিস্তৃত। ইসলামে ধৈর্যের এই অভিনব ব্যাপ্তির মতো তাক্বওয়ার সংজ্ঞাও অত্যন্ত ব্যাপক ও ব্যক্তির সামগ্রিক কর্মনির্ভর। প্রচলিত ইসলামী সংগঠনসমূহের কর্মনীতি এক অর্থে সুন্নাতে রাসূলুল্লাহর (সা) সাথে সামঞ্জস্যশীল নয়। কেননা, কোনো ব্যক্তির ‘মান’ নির্ধারণ করার জন্য তার জীবনসঙ্গী, চলার পথের সাথী, প্রতিবেশী ও অধীনস্তদের মতামত ও মনোভাবকে শর্ত হিসেবে বলা হয়েছে।

আর ইসলাম-পছন্দ সামাজিক আন্দোলন ও সংগঠনসূহের মধ্যে সময়ে সময়ে বিভিন্ন ইস্যুতে ঐক্য গড়ে ওঠবে। অর্থাৎ সংশ্লিষ্ট ইস্যুটা যখন শেষ হয়ে যাবে, তখন তারা আবার যার যার অব্স্থানে ফিরে যাবে।  একই আদর্শের অনুসারীদের কোনো কোনো দল এগিয়ে যাবে, অন্যরা তাদের ন্যায় সংগত সমালোচনা করবে। মানুষ একই মুখ বার বার বা দীর্ঘ সময় ধরে দেখতে চায় না। মানুষের অন্তর্গত এই বৈচিত্র্যপ্রিয়তা ও কর্তৃপক্ষবিরোধী (anti-establishment) মনোভাবের কারণে সকল ইসলামী শক্তিকে ঐক্যবদ্ধ করে ‘ক্ষমতায় যাওয়া’র বর্তমান প্রবণতা স্পষ্টতই ভুল। সারকথা হলো, যতই আদর্শবাদী হোক, সংগঠন ও আদর্শ যেনো একাত্ম না হয়ে যায়, সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে।

৮.৫: দৃশ্যমান মডেল
সর্বশেষ, প্রস্তাবিত সংগঠন কাঠামোর বিন্যাস-কাঠামোকে দুটি দৃশ্যমান উদাহরণের (visual model) মাধ্যমে  উপস্থাপন করা যায়। ধরা যাক, দুটি ছবির প্রথমটিতে দেখা যাচ্ছে একটা বড় গাছ (Single Giant Tree), যার অনেক শাখা-প্রশাখা আছে, কিন্তু আশপাশে আর কোনো গাছ নাই। সে একাই বেড়ে উঠেছে। ধর্মভিত্তিক, সামাজিক বা রাজনৈতিক ধাঁচের  প্রচলিত ইসলামী সংগঠন, প্রতিষ্ঠান ও আন্দোলনসমূহ এই Giant Tree Model-এর। এর সুবিধা হচ্ছে, চারদিকে সমানতালে সংগঠনের অনেক শাখা গড়ে ওঠে এবং কেন্দ্র থেকে এককভাবে তা নিয়ন্ত্রণ করা যায়। আর অসুবিধা হচ্ছে, এ রকম একটা এককেন্দ্রিক সংগঠন-বৃক্ষের শিকড়ে, গোঁড়ায় বা প্রধান কাণ্ডে কোনো সমস্যা হলে তা ডাল-লতা-পাতাসহ পুরো বৃক্ষটিতে ছড়িয়ে পড়ে।

এর পরিবর্তে এমন একটি ছবি কল্পনা করা যায়, যাতে রয়েছে নানা আকৃতির, বর্ণের ও অবস্থানের একটি বিস্তৃত বাগান (Wide Garden)। দেখা যাবে, এই বাগানের ছোট-বড় প্রত্যেক গাছই একই মাটি-আলো-বাতাস থেকে পুষ্টি গ্রহণ করে যার যার মতো বেড়ে উঠছে ও ফল দিচ্ছে। এখানে প্রত্যেকেই স্বাধীন হওয়ায় একটি গাছ ভেঙ্গে পড়লেও বাগান নষ্ট হয়ে যায় না। বরং নতুন নতুন আরো গাছ বেড়ে ওঠে।

এই Wide Garden Model-কে ভিত্তি ধরে যদি সামাজিক সংগঠন ও আন্দোলন গড়ে তোলা হয় তাহলে সেটা টেকসই হবে। দ্বিরুক্তি সত্ত্বেও বলা যায়, এই কর্ম-কৌশলের ফলে মানুষের সহজাত প্রকাশধর্মী প্রতিভা ও বৈচিত্র্যপ্রিয়তাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো যাবে। সময়ের আবর্তনে যখন একটা আদর্শিক দলের চাহিদা ফুরিয়ে যাবে, তখন সম-আদর্শের দলগুলো থেকে যোগ্যতর একটা দল সেই স্থান পূরণ করে নেবে। এতে দল বা সংগঠনের পরিবর্তন হলেও আদর্শ সমুন্নত থাকবে। সব ডিম একই ঝুড়িতে রাখার সমূহ বিপদ থেকে বাঁচা যাবে।

আদর্শ এবং আদর্শের রূপায়ন হিসেবে যে সংগঠন, তাকে যদি আলাদা করা যায় এবং সংগঠন কাঠামো যদি প্লুরালিস্টিক ও ডাইভারসিফাইড করা যায়, তাহলে অবশ্যই একুশ শতকে একটি টেকসই সামাজিক আন্দোলন গড়ে ওঠা, সফল হওয়া ও টিকে থাকা সম্ভব। আদর্শিক চেতনা ভিন্ন সকল সামাজিক বিষয়কেই নমনীয় ও পরিবর্তনযোগ্য হিসাবে গ্রহণ করতে হবে।


অন্যান্য পর্ব:

ইসলামী মতাদর্শের আলোকে সামাজিক আন্দোলন
পর্ব-১: ইসলাম,
পর্ব-২: ইসলামী আন্দোলন,
পর্ব-৩: কর্মধারা,
পর্ব-৪: দ্বীন ও শরীয়াহ,
পর্ব-৫: সমাজ ও রাষ্ট্র,
পর্ব-৬: ‘ইসলামী রাষ্ট্র’ অথবা আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র,
পর্ব-৭: সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া,
পর্ব-৮: সংগঠন কাঠামো

আরো পড়ুন: Social Movement from Islamic Perspective: Analysis & Proposals

মোহাম্মদ মোজাম্মেল হক
সহযোগী অধ্যাপক, দর্শন বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় || পরিচালক, সমাজ ও সংস্কৃতি অধ্যয়ন কেন্দ্র
http://mozammelhoque.com

২ thoughts on “সংগঠন কাঠামো

  1. এই Wide Garden Model-কে ভিত্তি ধরে যদি সামাজিক সংগঠন ও আন্দোলন গড়ে তোলা হয় তাহলে সেটা টেকসই হবে। দ্বিরুক্তি সত্ত্বেও বলা যায়, এই কর্ম-কৌশলের ফলে মানুষের সহজাত প্রকাশধর্মী প্রতিভা ও বৈচিত্র্যপ্রিয়তাকে পুরোপুরি কাজে লাগানো যাবে। সময়ের আবর্তনে যখন একটা আদর্শিক দলের চাহিদা ফুরিয়ে যাবে, তখন সম-আদর্শের দলগুলো থেকে যোগ্যতর একটা দল সেই স্থান পূরণ করে নেবে। এতে দল বা সংগঠনের পরিবর্তন হলেও আদর্শ সমুন্নত থাকবে। সব ডিম একই ঝুড়িতে রাখার সমূহ বিপদ থেকে বাঁচা যাবে।

  2. আলহামদুলিল্লাহ। সেমিনার রিলেটেড সিরিজধর্মী এতগুলো লিখা থেকে অনেক ভালো লাগছে। সিএসসিএস ভবিষ্যতে আরো অনেক সেমিনার ও সিম্পোজিয়ামের প্রধান আলোচনার চমৎকার সব খোরাক উপহার দিক এই প্রত্যাশাই রইল। সিএসসিএস পরিবারের সকল কে আন্তরিক উষ্ণ অভিনন্দন।

আপনার মন্তব্য লিখুন