মঙ্গলবার, নভেম্বর ২১, ২০১৭
হোম > বই অনুবাদ > ইউসুফ আল কারযাভী: ইসলাম ও আধুনিকতা (পর্ব ৪)

ইউসুফ আল কারযাভী: ইসলাম ও আধুনিকতা (পর্ব ৪)

এডিটর’স নোট:

সমসাময়িক বিশ্বে সবচেয়ে প্রভাবশালী ইসলামী স্কলারদের মধ্যে ইউসুফ আল কারযাভী শীর্ষস্থানীয় একজন। কারযাভীকে নিয়ে Yusuf Al-Qaradawi: Islam and Modernity শীর্ষক একটি গবেষণামূলক বই লিখেছেন স্যামুয়েল হেলফন্ট। ২০০৯ সালে তেল আবিব বিশ্ববিদ্যালয়ের মোশে দায়ান সেন্টার থেকে এটি প্রকাশিত হয়। আমরা বইটির অংশবিশেষের ধারাবাহিক অনুবাদ প্রকাশ করছি। অনুবাদ করেছেন আইয়ুব আলী। আজ  ছাপা হলো চতুর্থ পর্ব।


অন্যান্য পর্ব: প্রথম পর্ব, দ্বিতীয় পর্ব এবং তৃতীয় পর্ব


দ্বিতীয় অধ্যায়
কারযাভীর দৃষ্টিতে আধুনিকতা

উন্নয়ন

পূর্বে উল্লেখিত একটি উদ্ধৃতিতে হোসেইন আল সদর বলেছিলেন, “ইসলামে জ্ঞানচর্চাই চূড়ান্ত ব্যাপার নয়। বরং জ্ঞানচর্চা হচ্ছে স্রষ্টাকে উপলব্ধি করা এবং মুসলিম সমাজের সমস্যা সমাধানের উপায় মাত্র।”[1] কারযাভীও এমনটি মনে করেন। শুধু জ্ঞানচর্চার জন্যে জ্ঞান অর্জনে তিনি আগ্রহী নন। বরং মুসলিম বিশ্বের সমস্যা সমাধানের জন্যে তিনি বিজ্ঞানকে কাজে লাগাতে চান। খুতবায় তিনি নিয়মিত মুসলিম বিশ্বের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে কথা বলেন। উদাহরণ হিসেবে একটি জুমার খুতবার কথা বলা যায়, যেখানে তিনি বেদনার সাথে বলেন:

দুর্ভাগ্যবশত আমরা উন্নয়ন করতে পারিনি। আমরা দারিদ্র্য মোকাবেলা করতে পারিনি। আমাদের দারিদ্র্য হার অনেক বেশি। এখনো অনেকে শুকনো রুটি খেয়ে বেঁচে থাকে। এখনো অনেক পরিবার একটা মাত্র কক্ষে বা বেজমেন্টে রাত্রিযাপন করে। আমাদের দেশগুলো কৃষিজমি এবং খনিজ সম্পদে সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও দারিদ্র্য ঘুচানো যায়নি। চাষাবাদ কিংবা শিল্পায়ন – কোনোটাই আমরা করতে পারিনি। আমাদের দেশগুলো এখনো অনেক পিছিয়ে আছে। এ দেশগুলোকে তৃতীয় কিংবা চতুর্থ বিশ্বের দেশ হিসাবে গণ্য করা হয়।[2]

শিল্পায়নের অভাব[3] এবং বেকারত্বের উচ্চ হার[4] নিয়ে কারযাভী অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তবে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে এ পরিস্থিতির উন্নতি সম্ভব বলে তিনি আশাবাদী। এই ক্ষেত্রগুলোতে ইসলামেরও ভূমিকা রয়েছে বলে তিনি মনে করেন। অন্য একটি খুতবায় তিনি বলেন, “কিছু মানুষ ইসলামকে দোষারোপ করে বলে, এই পশ্চাৎপদতার জন্যে ইসলামই দায়ী। এটি একটি মিথ্যাচার।” তার মতে, উন্নয়নের জন্যে ইসলামের ভূমিকা সহায়ক।[5] মুসলিম বিশ্বকে সহায়তা করাকে কারযাভী নিজের লক্ষ্য হিসেবে ঠিক করেছেন, এই বিবেচনায় যে: “আমরা আমাদের দেশ ও অর্থনীতিকে উন্নত করতে চাই। এমনসব ব্যক্তিকে উন্নত হিসেবে গড়ে তুলতে চাই, যারা উন্নয়নকে তাদের লক্ষ্য এবং উপায় হিসেবে গ্রহণ করেছেন।”[6]

উন্নয়ন ও আধুনিকায়নকে উৎসাহিত করার জন্যে গতানুগতিক ইসলামের প্রতিবন্ধকতাগুলো সমাধান করতে কারযাভী কাজ করছেন। মুসলিম বিশ্বের উন্নয়নের পথে একটি অন্যতম বাধা ছিল সুদের উপর ইসলামের নিষেধাজ্ঞা। আধুনিক বিশ্বে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোনো ব্যক্তি বা করপোরেশন ঋণ নিয়ে ব্যবসা শুরু করেছে এবং ধীরে ধীরে বিকশিত হয়েছে। অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির জন্যে এ ধরনের ঋণের সুযোগ থাকা অপরিহার্য ব্যাপার। ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার প্রবক্তাদের মধ্যে কারযাভী অন্যতম। এ ধরনের ব্যবস্থায় সুদ গ্রহণ করার ব্যাপারে ব্যাংকের উপর বিধিনিষেধ রয়েছে। এ সংক্রান্ত এক ফতোয়ায় তিনি বিষয়টি ব্যাখ্যা করে বলেন:

ব্যাংক হিসাবের উপর প্রাপ্ত সুদ অবৈধ তথা হারাম। কারণ এই সুদ হচ্ছে কোনো প্রচেষ্টা বা ব্যবসা ছাড়াই অর্থের প্রবৃদ্ধি। আল্লাহ তায়ালা বলেছেন, “হে ঈমানদারগণ! তোমরা আল্লাহকে ভয় করো এবং সুদের যে সমস্ত বকেয়া আছে, তা পরিত্যাগ করো, যদি তোমরা ঈমানদার হয়ে থাকো। অতঃপর যদি তোমরা পরিত্যাগ না করো, তবে আল্লাহ ও তাঁর রসূলের সাথে যুদ্ধ করতে প্রস্তুত হয়ে যাও। কিন্তু যদি তোমরা তওবা করো, তবে তোমরা নিজের মূলধন পেয়ে যাবে। তোমরা কারও প্রতি অত্যাচার করো না এবং কেউ তোমাদের প্রতি অত্যাচার করবে না।” (সূরা বাকারা: ২৭৮-২৭৯) এখানে ‘তওবা’র মানে হচ্ছে, আসল মূলধন ফেরত নিতে পারবে কিন্তু কোনো ধরনের প্রচেষ্টা বা যৌথ বিনিয়োগ ছাড়া অর্জিত অর্থ গ্রহণ থেকে বিরত থাকবে। কারো সম্পদ বন্ধক রাখা এবং এর বিনিময়ে কোনো ধরনের লাভ-ক্ষতির দায় না নিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ গ্রহণকে ইসলাম নিষিদ্ধ করেছে। তাই, ইসলাম শুধুমাত্র ঐ ধরনের বিনিয়োগকেই অনুমোদন করে, যেক্ষেত্রে বিনিয়োগকারী বিনিয়োগকৃত অর্থের ঝুঁকি গ্রহণ করে অর্থাৎ লাভ কিংবা ক্ষতি উভয়ের দায় বহন করে। এটিই হচ্ছে ইসলামী বিনিয়োগ ব্যবস্থার পদ্ধতি।[7]

কিছু অতি রক্ষণশীল আলেমের কাছে ইসলামী ব্যাংকিং এখনো বিতর্কিত একটি বিষয়। যেসব মুসলিম আধুনিক জীবনযাপন করতে চান, উক্ত ধরনের মতামতের ফলে তাদের কাছে কারযাভী সবচেয়ে জনপ্রিয় স্কলারদের একজনে পরিণত হয়েছেন। আধুনিক মুসলিমদেরকে ইসলামে অভ্যস্ত করানোর উদ্দেশ্যে কারযাভীর এই প্রচেষ্টা মূলত ইসলামী আইনশাস্ত্রেরই একটি অংশ, যা ‘তাইসীর’ তথা ‘নমনীয়তা’ (যেমন, ইসলামসম্মত জীবনাচারে নমনীয়তা) নামে পরিচিত। এ বিষয়টি কারযাভীর ফতোয়ার অন্যতম ‘স্বাতন্ত্র্যসূচক বৈশিষ্ট্য’ হিসেবে পরিচিত।[8] আধুনিক অবস্থার প্রেক্ষিতে একজন মুসলিম কী করবে বা করতে পারে – এই নমনীয়তার পদ্ধতি অনুযায়ী এসব বিষয় একজন বিচারক বিবেচনায় নিতে পারেন।[9] উল্লেখ করা প্রয়োজন, সুদগ্রহণের নিষেধাজ্ঞা এড়ানোর প্রচেষ্টা সংক্রান্ত কারযাভীর ব্যাখ্যা সর্বপ্রথম নয়। সুদের উপর বিদ্যমান নিষেধাজ্ঞা এড়াতে ইসলামী স্কলারগণ দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন উপায় খুঁজছেন।[10] যাইহোক, কারযাভীসহ ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার অন্যান্য আধুনিক প্রবক্তরা তাদের অতীত পূর্বসূরীদের সাথে ভিন্নমত প্রকাশ করেছেন। তারা আধুনিক ব্যাংকিং ব্যবস্থার মধ্যে ইসলামী আইনের বিধিবিধান সংযুক্ত করার প্রস্তাবনা দিয়েছেন।

উন্নয়নের সাথে বিজ্ঞান ও যৌক্তিক চিন্তাভাবনার সম্পর্কের কথা বললেও কারযাভী তার কথা এখানেই শেষ করেননি। তিনি প্রায়ই বলে থাকেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির সাথে স্বাধীনতার সম্পর্ক রয়েছে। যেমন, তিনি বলেছেন,

জাতি পিছিয়ে আছে … এটি স্বাধীনতার প্রশ্ন। স্বাধীনতা ছাড়া একজন পরাধীন ব্যক্তি কোনোকিছুই করতে পারে না। যতদিন পর্যন্ত আমাদের দেশগুলোতে বলপূর্বক শাসন চলবে, স্বাধীন ব্যক্তিদের ডিটেনশন ক্যাম্প ও জেলখানায় নিক্ষেপ করা হবে, শাসকেরা লাঠি হাতে দেশ শাসন করবে, বিচারকদেরকে একের পর এক গ্রেফতার, কারারুদ্ধ ও অত্যাচার করা হবে এবং রাজনৈতিক দল গঠন ও সংবাদমাধ্যমের উপর নিষেধাজ্ঞা থাকবে; ততদিন পর্যন্ত আমাদের জাতি পশ্চাৎপদতার বেড়াজালে বন্দি থাকবে। স্বাধীন মানুষের নেতৃত্বেই একটি জাতির জন্ম হয়। তারাই জাতির উন্নয়নে ভূমিকা রাখে। কিন্তু আমরা যদি দাসত্বের শেকলে আবদ্ধ থাকি, তাহলে এই জাতি প্রয়োজনীয় সময়ে কিছুই করতে পারবে না। জাতি সবসময়েই পেছনে পড়ে থাকবে।[11]

অর্থনৈতিক উন্নয়নের সাথে সংবাদমাধ্যম ও রাজনৈতিক দলের স্বাধীনতার মতো বিষয়গুলোর সম্পর্ক রয়েছে বটে, তবে আরো সূক্ষ্ম কিছু ব্যাপারও (sophisticated reasoning) রয়েছে। যাইহোক, পাশ্চাত্যের লোকজন স্বাধীনতা বলতে যা বুঝে থাকে, কারযাভী ঠিক তা বোঝাননি। স্বাধীনতার গতানুগতিক ইসলামী সংজ্ঞা বেশ জটিল। স্বাধীনতা বলতে এখানে ইসলামী জীবনযাপন করার স্বাধীনতাকেই প্রায় সময় বুঝানো হয়। অন্যদিকে, পাশ্চাত্যে স্বাধীনতা বলতে মূলত ব্যক্তি স্বাধীনতাকে বুঝানো হয়।[12] কারযাভী স্বাধীনতার কোন সংজ্ঞাটি ব্যবহার করেছেন তা এখানে পরিষ্কার নয়। তবে ইসলামী বিশ্বের উন্নয়নকে গুরুত্বপ্রদান করা থেকে বুঝা যায়, তিনি আসলেই দূরদৃষ্টিসম্পন্ন। ভূমিকাতে যেমনটা বলা হয়েছে, কারযাভীর এ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে আধুনিকতারই সুনির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য।

উপসংহার

ইসলামী ও পশ্চিমা বিশ্বের অনেক আধুনিক চিন্তাবিদদের মতো কারযাভীও আধুনিকতার সংজ্ঞা নিয়ে ক্রমাগত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেছেন। ইসলামী বিশ্বের অনেকের মতো তিনিও আধুনিকায়ন ও পাশ্চাত্যকরণের মধ্যে স্পষ্টভাবে পার্থক্য করেছেন। বাসাম তিবি এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, কারযাভীর মতে “আধুনিক সভ্যতা প্রশ্নাতীতভাবেই পশ্চিমা, কিন্তু এটিই একমাত্র কাম্য কিংবা সম্ভাব্য আধুনিক সভ্যতা নয়।”[13] ইসলামী বিশ্বে এক ধরনের বিকল্প আধুনিকতা গড়ে তোলার জন্য কারযাভী গত কয়েক দশক ধরে প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন। বিজ্ঞানের অগ্রগতির যে বিষয়গুলো ইতিবাচক ও কোরআনের মূলনীতি ও নৈতিকতার অনুকূল সেগুলোকে গ্রহণ এবং পাশ্চাত্য সভ্যতার অনাকাঙ্খিত বিষয়গুলো বর্জন করে আধুনিকতার এই ধারা গড়ে উঠবে। কারযাভী বিশ্বাস করেন, এর ফলে এক সময় এমন একটি বিকল্প সভ্যতা গড়ে ওঠবে যা মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সবার কাছেই আকর্ষণীয় এবং গ্রহণযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে।

বাস্তবতার দিকে দৃষ্টি ফিরিয়ে কারযাভী দেখতে পান, মুসলিম বিশ্বে আধুনিকতা একটি বাড়তি চ্যালেঞ্জ হিসেবে হাজির হয়েছে। গণমাধ্যম ও আধুনিক শিক্ষাব্যবস্থা ইসলামী বিশ্বে এমনসব নতুন আইডিয়ার জন্ম দিচ্ছে, যা গতানুগতিক ইসলামী ধর্মতত্ত্বের জন্যে চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ ধরনের কিছু বিতর্কিত বিষয়কে কারযাভী কীভাবে মোকাবেলা করছেন, সামনের অধ্যায়গুলোতে সেগুলো তুলে ধরা হবে।

রেফারেন্স ও নোট:

[1] Tibi, pp. 74-5.

[2] Qatar TV, “Live Sermon from Umar Bin-al-Khattab Mosque in Doha,” (5 January 2007), BBC Monitoring: Near/Middle East: Round-Up of Friday Sermons 5 Jan 07, (accessed 8 January 2007).

[3] Qatar TV. “Live Sermon from Umar Bin-al-Khattab Mosque in Doha.” (9 September 2005). BBC Monitoring: Near/Middle East: Round-Up of Friday Sermons 9 Sep 05. (accessed 11 September 2005).

[4] Qatar TV, “Live Sermon from Umar Bin-al-Khattab Mosque in Doha,” (5 January 2007).

[5] Qatar TV, “Live Sermon from Umar Bin-al-Khattab Mosque in Doha,” (15 April 2005), BBC Monitoring: Near/Middle East: Round-Up of Friday Sermons 15 Apr 05, (accessed 19 April 2005).

[6] BBC Monitoring: Near/Middle East: Round-Up of Friday Sermons 1 May 05. (accessed 29 April 2005).

[7] Yusuf al-Qaradawi, “Bank Interest in the Eyes of Shari‘ah,” Islam Online, (18 July 2004), <http://www.islamonline.net/servlet/Satellite?pagename=IslamOnline-English-Ask_Scholar/FatwaE/FatwaE&cid=1119503543118> (accessed 3 July 2007).

[8] Alexandre Caeiro, “The European Council for Fatwa Research,” Paper presented at the Fourth Mediterranean Social and Political Research Meeting, Florence and Montecatini Terme (19–23 March 2003), organized by the Mediterranean Program of the Robert Schuman Centre for Advanced Studies at the European University Institute.

[9] See Yusuf al-Qaradawi, Taysir al-Fiqh li-lMuslim al Muasir fi Daw al-Quran wal-Sunna (Making Fiqh Easy for Contemporary Muslims in the light of Quran and Sunna),” (Beirut: Muasasat al-Risala, 2000).

[10] For an example, see Khalid Abou el-Fadl, “Islamic Law and Muslim Minorities: The Juristic Discourse on Muslim Minorities from the Second/Eighth to the Eleventh/Seventeenth Centuries,” Islamic Law and Society 1, No. 2 (1994), p. 180.

[11] Qatar TV, “Live Sermon from Umar Bin-al-Khattab Mosque in Doha,” (18 April 2006), BBC Monitoring: Near/Middle East: Round-Up of Friday Sermons 18 Apr 06, (accessed 2 May 2006).

[12] Franz Rosenthal, The Muslim Concept of Freedom (Leiden, Netherlands: E.J.Brill, 1960), pp. 5–6. যদিও আমি এখানে শুধু ইসলাম প্রসঙ্গে বলেছি, কিন্তু উল্লেখ করা প্রয়োজন যে, গতানুগতিক ইহুদী ও খ্রিষ্টান ধর্মীয় সূত্রগুলোতেও স্বাধীনতার এ ধরনের সংজ্ঞাই পাওয়া যায়।

[13] Tibi, p. 75.

আইয়ুব আলী
আইয়ুব আলী
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগে অধ্যয়নরত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *